রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
সংগঠনটির নেতারা বলেন, ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি সংকট ও ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তার কারণে দেশের রেস্তোরাঁ খাত চরম সংকটের মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এলপিজি সংকট সমাধান, লাইনের গ্যাস সংযোগ পুনরায় চালু এবং ভ্যাট-ট্যাক্স সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ বিভিন্ন দাবি সরকারের কাছে তুলে ধরা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, করোনাকালের দীর্ঘ সংকট ও পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যবসায়ীরা নতুন সরকারের কাছে ইতিবাচক প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে নতুন বিনিয়োগ না হওয়ায় উল্টো অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে এবং কর্মসংস্থান কমে গেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে দেশের জ্বালানি খাতে চাপ বেড়েছে, যার কারণে উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে রেস্তোরাঁ খাতে। বাড়তি পরিচালন ব্যয়, ক্রেতা কমে যাওয়া এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় এ খাত বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে রেস্তোরাঁ সেক্টরকে টিকিয়ে রাখার আহ্বান জানাই।
রেস্তোরাঁ খাত নিয়ে ১০ দফা দাবি
১. রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দ্রুত ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করতে হবে।
২. আগামী বাজেটে ভ্যাট ও ট্যাক্স সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে।
৩. এলপিজি সংকট সমাধান ও লাইনের গ্যাসের নতুন সংযোগ পুনরায় চালু করতে হবে।
৪. অভিযানের নামে রেস্তোরাঁ মালিকদের হয়রানি বন্ধ এবং অভিযানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
৫. রাজউক, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থার হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
৬. রেস্তোরাঁ খাতে কর্পোরেট আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।
৭. রেস্তোরাঁ সেক্টরকে শিল্প হিসেবে ঘোষণার বাস্তবায়ন করতে হবে।
৮. ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন পুনরায় চালু করতে হবে।
৯. ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজি, হয়রানি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে।
১০. গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দিতে হবে।