বৃহঃস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা কোনো অধিকারের বিষয় নয়, বরং এটি দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি পত্র। তাই অন্যদেশের কোনো ভিসাধারী ব্যক্তি যদি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেন, তাহলে ওয়াশিংটন অবশ্যই ওই ব্যক্তির ভিসা বাতিল করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও এ মন্তব্য করেছেন। গতকার মঙ্গলবার হাঙ্গেরি সফরে গিয়েছিলেন রুবিও। সেখানে রাজধানী বুদাপেস্টে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অর্বানের সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমি জানি না যে একটি সাধারণ ব্যাপার কেন লোকজন বুঝতে পারে না।
আমি আগেও অনেকবার বলেছি, আবারও বলছি— ভিসা কোনো অধিকার নয় এবং কেউই ভিসা পাওয়ার অধিকারী নয়। এটা যুক্তরাষ্ট্রে দর্শনার্থী হিসেবে প্রবেশের একটি সুযোগ। আপনি যুক্তরাষ্ট্রে একজন পর্যটক, শিক্ষার্থী কিংবা সাংবাদিক হিসেবে প্রবেশ করতেই পারেন, কিন্তু প্রবেশের পর যদি আপনি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করেন, তাহলে আমরা আপনার ভিসা কেড়ে নেবো।”
আরেকটি ব্যাপার হলো, আমরা যদি কোনো আবেদনকারীর ব্যাপারে কোনোভাবে জানতে পারি যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থবিরোধ তৎপরতায় যুক্ত, সেক্ষেত্রে সেই আবেদনকারীকে আমরা ভিসা দেবো না।”
সম্প্রতি ৭০টিরও বেশি দেশের নাগরিকদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সংবাদ সম্মেলনে এ ইস্যুতেও কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, “আমরা ৭৫টি দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। কারণ এসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে এসে বছরের পর বছর ধরে আমাদের দেশ ও নাগরিকদের কাছ থেকে অগ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছে।”
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)