রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২
ফাইল ছবি
সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে প্রধান করে তিন সদস্যের ‘অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ’ গঠন করেছে ইরান। দেশটির সরকারি বার্তাসংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরানা)-এর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।
অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদের বাকি দুই সদস্য হলেন দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি-এজেই এবং ইরানের প্রভাবশালী সংস্থা গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন জ্যেষ্ঠ আলেম।
গতকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। তারপর গতকাল রাতেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান যে খামেনি নিহত হয়েছেন। তার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন।
আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে খামেনি নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে ইরান।
৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর যে সংবিধান গ্রহণ করে ইরান, সেখানে ‘অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ’-এর ব্যাপারে উল্লেখ আছে। সংবিধানের ১১১ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, যদি সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা লোকান্তরিত হন কিংবা দায়িত্বপালনে অক্ষম হয়ে পড়েন, তাহলে নতুন সর্বোচ্চ নেতা আসার আগ পর্যন্ত ইরানের সার্বিক নির্বাহী দায়িত্বে থাকবে অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)