মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতের জেরে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় বিভিন্ন ধরনের মিতব্যয়ী পদক্ষেপ ও সঞ্চয় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন সরকার। সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহহবাজ শরিফ ওই ঘোষণা দিয়েছেন।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো পাকিস্তানও বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ সঙ্কটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত শুরু করেছে ইরান। যে কারণে বিশ্বের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো ক্রেতাদের কাছে জ্বালানি সরবরাহ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশটিতে পেট্রল ও ডিজেলের দাম ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে সারা দেশে ব্যয় সংকোচন ও মিতব্যয়ী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, পুরো অঞ্চল সংঘাতের কবলে পড়েছে। এই সঙ্কট নিরসনে পাকিস্তান কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, পুরো অঞ্চল বর্তমানে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তান কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্তে নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ ও সন্ত্রাসবাদের হুমকির কথা জানিয়ে শেহবাজ শরিফ বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী পরিস্থিতি কার্যকরভাবে মোকাবিলা করছে। এ সময় দেশটির চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএফ) ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমের প্রশংসা করেন তিনি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর হামলা ও তাকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে পাল্টা হামলারও নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।
• ব্যয় সংকোচনে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে পাকিস্তান
বর্তমান অর্থনৈতিক সঙ্কটে ব্যয় কমাতে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক উভয় সরকার মিতব্যয়ী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন এই পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে :
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)