বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২
ফাইল ছবি
বলিউডের ‘চকলেট বয়’ ইমেজ ঝেড়ে ফেলে রণবীর কাপুর এখন পুরোপুরি মগ্ন পৌরাণিক মহাকাব্য ‘রামায়ণ’ নিয়ে। পর্দার শ্রীরামচন্দ্র হয়ে উঠতে গত কয়েক মাস ধরেই কঠোর পরিশ্রম করছেন তিনি। তবে এই ছবির নেপথ্যে রণবীরের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা কোনো পরিচালক বা চিত্রনাট্য নয়, বরং তার আদরের মেয়ে রাহা কাপুর।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রণবীর নিজেই জানিয়েছেন, কীভাবে শুটিংয়ের রামায়ণ আর জীবনের রাহা মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। রণবীর জানান, শুটিং থেকে বাড়ি ফিরে তিনি নিয়মিত রাহাকে রামায়ণের গল্প শোনান।
ছোট্ট রাহা সেই গল্পে এতটাই মজে থাকে যে, বাবা বাড়ি ফেরামাত্রই তার জিজ্ঞাসার অন্ত থাকে না। রণবীরের কথায়, ‘রাহা এখন আমাকে জিজ্ঞেস করে, ‘আজ কি তুমি হনুমানের সঙ্গে শুটিং করলে?’ কিংবা ‘আজ সীতার সঙ্গে কী করলে?’ মেয়ের এই কৌতূহল আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে।’
রণবীর শুরুতে এই ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তার মনে হয়েছিল, রামের মতো এমন একটি গাম্ভীর্যপূর্ণ চরিত্রের জন্য তিনি সম্ভবত মানসিকভাবে প্রস্তুত নন। কিন্তু রাহার জন্মের পর জীবনের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়।
পরিচালক নীতিশ তিওয়ারির দুই পর্বের এই ‘রামায়ণ’ নির্মিত হচ্ছে প্রায় ৪০০০ কোটি রুপি বাজেটে। যা ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ব্যয়বহুল ছবি হতে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ছবির প্রথম পর্ব ২০২৬ সালের দীপাবলিতে এবং দ্বিতীয় পর্ব ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।
তবে ছবির টিজার প্রকাশের পর থেকেই বলিউড পাড়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিতর্ক উসকে দিয়েছেন নির্মাতা সঞ্জয় গুপ্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি একটি রহস্যময় পোস্টে লেখেন, ‘পাহাড় খুঁড়ে ইঁদুর বেরোল।’ নেটিজেনদের ধারণা, রামায়ণের টিজার দেখেই তিনি এমন খোঁচা দিয়েছেন।
সঞ্জয় আরও একটি পোস্টে ভিএফএক্স সংস্থা ডিএনইজি-র দিকে ইঙ্গিত করে লেখেন, ‘অস্কার আসলে ভিএফএক্স কোম্পানি নয়, টেকনিশিয়ানরা জেতে।’ যদিও বিষয়টি নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)