বৃহঃস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২
প্রতীকী ছবি
বিশ্বজুড়ে হঠাৎ করেই থমকে যায় জনপ্রিয় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। কিছু সময়ের জন্য ভিডিও দেখা ও ব্রাউজিংয়ে সমস্যা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ত্রুটি সমাধান করা হয়েছে। সেবা এখন স্বাভাবিক রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করতে শুরু করেন। ভিডিও দেখা যাচ্ছিল না। হোমপেজে সুপারিশকৃত কনটেন্ট আসছিল না। অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাপ ঠিকমতো লোড হচ্ছিল না।
আউটেজ–পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে একসময় ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়ে। তবে এসব সংখ্যা ব্যবহারকারীদের স্বপ্রণোদিত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে।
পরে ইউটিউব এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের ‘রেকমেন্ডেশন সিস্টেম’-এ সমস্যা হয়েছিল। এই ত্রুটির কারণে প্ল্যাটফর্মজুড়ে ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন ঘটে। হোমপেজ, সার্চ ও অন্যান্য জায়গায় ভিডিও দেখা যাচ্ছিল না।
ইউটিউব জানায়, সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা হয়। টেকনিক্যাল টিম তা সমাধান করে। বর্তমানে ইউটিউব ডটকম, মোবাইল অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, ইউটিউব কিডস এবং টিভি— সব সেবাই স্বাভাবিক রয়েছে।
শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, আরও কয়েকটি দেশেও একই ধরনের সমস্যা দেখা যায়। ভারত, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও মেক্সিকোর ব্যবহারকারীরাও বিঘ্নের কথা জানান। ডাউনডিটেক্টরেও এসব দেশের অভিযোগ প্রতিফলিত হয়।
এই বিঘ্ন কতক্ষণ স্থায়ী ছিল, তা স্পষ্ট করেনি ইউটিউব। তবে ব্যবহারকারীদের অভিযোগ দ্রুত কমতে শুরু করে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, সমস্যা স্বল্প সময়ের মধ্যেই সমাধান করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্মগুলোতে এ ধরনের সাময়িক বিঘ্ন নতুন নয়। তবে স্বল্প সময়ের জন্যও সেবা বন্ধ থাকলে ব্যবহারকারীদের ভোগান্তি বাড়ে। বিজ্ঞাপননির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রেও তা প্রভাব ফেলতে পারে।
ইউটিউব এ ঘটনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেনি। তবে তারা নিশ্চিত করেছে, সেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)