শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
ছবি-সংগৃহীত
৭৮ বছরেরে সম্পর্কে ইতি টেনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সঙ্গে সব রকমের সম্পর্ক ছিন্ন করল যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘আজ যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সরে দাঁড়ালো। এর ফলে এই সংস্থার সব রকম দায় থেকে যুক্তরাষ্ট্র মুক্ত হলো।’
ডব্লিউএইচও-এর জন্য সমস্ত মার্কিন তহবিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ভবিষ্যতে, আমেরিকান জনগণের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা রক্ষা করার জন্য ডব্লিউএইচও-এর সঙ্গে মার্কিন সম্পৃক্ততা কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ থাকবে।’
মূলত, ২০২৫ সালের (২০ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণ করে ডব্লিউএইচও থেকে বের হওয়ার নির্বাহী আদেশে সই করেছিলেন ট্রাম্প। তবে ছাড়ার আগে এক বছরের নোটিস দিতে হয় যুক্তরাষ্ট্র। গত বুধবার সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে।
ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কোভিড-১৯ মহামারি এবং অন্য আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়েছে ডব্লিউএইচও।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের এই সংস্থাটি কোভিড- ১৯ এর উৎপত্তি সম্পর্কে বিশ্বকে বিভ্রান্ত করার জন্য চীনের প্রচেষ্টাকে সহায়তা করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অন্যায়ভাবে বিপুল অর্থ দাবি করেছে, যা চীনের মতো অন্য বড় অর্থনীতির দেশগুলোর প্রদান করা অর্থের তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ। যদিও ডব্লিউএইচও জোরালোভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ডব্লিউএইচও এর সবচেয়ে বড় আর্থিক অনুদান দাতা। সংস্থাটির সামগ্রিক তহবিলের প্রায় ১৮ শতাংশ অবদান রাখে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি মাসের শুরুতে ডব্লিউএইচও-এর প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ায় তহবিলের ঘাটতির সংস্থাটি ইতোমধ্যেই তাদের কার্যক্রম কাটছাঁট করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)