সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
ছবি : সংগৃহীত
প্রকল্পের ন্যায্যভাগ দেশের সব মানুষের মাঝে, বিশেষ করে যারা সম্পদ সৃষ্টি করেন সেই খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার। তাদের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলেও মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রথম কার্যদিবসে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বৈষম্যহীন নতুন এক দেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। এই আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। দেশের সম্পদের সুষম বণ্টন এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হবে।
সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলমান রাখা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, আমরা কোথাও থামবো না। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য কোনো কাজ থামিয়ে দেওয়া বা গতিহীন করা নয়। বরং কাজের গতি বজায় রেখে প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যাবো। যেখানে সংশোধন বা পরিমার্জন প্রয়োজন, সরকার তা করবে; কিন্তু কোনো অবস্থাতেই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির হতে দেওয়া হবে না।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ বা ‘ভিত্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয় যদি সঠিকভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে পারে, তবে দেশের সামগ্রিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। শুধুমাত্র অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রার মান, শাসন ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনের ওপর আমরা জোর দিচ্ছি।
ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলো প্রসঙ্গে সাকি জানান, আগামী দিনে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে মানুষের শিক্ষা, দক্ষতা এবং মানবিকতার উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। একটি বৈষম্যহীন এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সুপরিকল্পিত ও গুণগত উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এ সময় পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)