বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা-৬ আসনের অন্তর্ভুক্ত ধোলাইখাল রোড ও সুভাষ বোস অ্যাভিনিউয়ের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। এ সময় তিনি সড়কের অবৈধ দখল উচ্ছেদে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
বুধবার (৪ মার্চ) ধোলাইখাল রোডের লক্ষ্মীবাজার এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক বলেন, ধোলাইখাল সড়কের বিভিন্ন অংশ অবৈধভাবে দখল হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সড়ক দখল করে স্থায়ী স্থাপনার মতো নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ধোলাইখাল রোডের দৈর্ঘ্য প্রায় ০.৭৮ কিলোমিটার (৭৮০ মিটার)। এই সড়কের দুই পাশে প্রায় ১.৫৬ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সুভাষ বোস অ্যাভিনিউয়ের দৈর্ঘ্য ০.৫৮ কিলোমিটার এবং এর দুই পাশে ১.১৬ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণকাজ চলছে। উন্নয়নকাজ শেষ হলে এলাকার চিত্র বদলে যাবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসন হবে বলে আশা করা যায়।
ইশরাক হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ডিসি ট্রাফিক, সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট ও সম্পত্তি বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। ধোলাইখালের দুই পাশের মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গেও কথা বলা হবে।
ধোলাইখাল ট্রাক স্ট্যান্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের ইজারা দেওয়া নির্ধারিত সীমানার বাইরে রাতের বেলায় ট্রাক দাঁড়িয়ে পুরো সড়ক দখল করে ফেলে। আগে সেই জায়গা উন্মুক্ত করা হবে, যাতে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকে।
তিনি বলেন, যেখানে স্বাভাবিকভাবে ১৫–২০ সেকেন্ড বা হালকা যানজটে পাঁচ মিনিট লাগার কথা, সেখানে অনেক সময় এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত আটকে থাকতে হয়।
পুরান ঢাকায় স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড না থাকায় লোকাল বাস সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাস্তার ওপর ডাবল বা ট্রিপল লেনে বাস দাঁড়িয়ে পুরো সড়ক বন্ধ করে দেওয়া তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হবে। তবে বাস ও যাত্রীদের প্রয়োজন বিবেচনায় আপাতত এক লেনে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
তিনি বলেন, বিষয়টি জাতীয় নীতির আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা রয়েছে। ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী নিজে বৈঠক করছেন এবং গণপরিবহন কীভাবে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা যায়, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। দ্রুতই এর স্থায়ী বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)