শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
ফাইল ছবি
ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে ভিন্ন এক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হলেন নারী এককের শীর্ষ তারকা আরিয়ানা সাবালেঙ্কা। কামিলা রাখিমোভার বিপক্ষে ৬-৩, ৬-৪ গেমে জেতা এই বেলারুশ টেনিস খেলোয়াড় গাঁজার তীব্র গন্ধে একাধিকবার বেসামাল হয়েছেন। সার্ভ করার সময় মনোযোগে বিঘ্ন ঘটার পর চেয়ার আম্পায়ারের সহায়তা চান সাবালেঙ্কা।
আগে কখনোই টেনিস কোর্টে এতটা তীব্র গন্ধ পাননি বলে জানান বেলারুশের এই তারকা। ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা জানান, ‘আমি জানি না, গন্ধটা দর্শকদের কাছ থেকে আসছিল, নাকি বাইরে থেকে বাতাসের সঙ্গে স্টেডিয়ামে ঢুকছিল। জানি না। শুধু আশা করি, তারা বিষয়টি নিয়ে একটু বেশি সচেতন হবে।’
লুই আর্মস্ট্রং স্টেডিয়ামে ম্যাচের তৃতীয় গেমে সার্ভ করতে গিয়ে বল ওপরে ছোড়ার পর সেটি আর মারেননি, মাটিতে পড়তে দেন সাবালেঙ্কা। পরের পয়েন্টেও একই ঘটনা ঘটে। স্পষ্টতই কোনো একটি বিষয় তাকে বিরক্ত করছিল। এরপর চেয়ার আম্পায়ারের কাছে গিয়ে সহায়তা চান তিনি।
পরে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সাবালেঙ্কা বলেন, ‘আমি মনে মনে ভাবছিলাম, আপনারা যা খুশি করতে পারেন। যা খুশি ধূমপান করেন, যতটা খুশি আরাম করতে পারেন। কিন্তু দয়া করে টেনিস কোর্টের আশপাশে এটা করবেন না। নিজের সেরা খেলাটা দেওয়ার চেষ্টা করার সময় এই গন্ধ সামলানো একটু কঠিন।’
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনেও অবশ্য বিষয়টি নিয়ে হাস্যরস করতে দেখা যায় নারী টেনিসের শীর্ষ বাছাই সাবালেঙ্কাকে। এমনকি দর্শকরা তার ম্যাচ আরও উপভোগ করতেই হয়তো এমন কিছু করছেন– এমন প্রশ্নেও মজা করে উত্তর দেন তিনি, ‘হয়তো (আমার খেলা) খুব দ্রুতগতির, তাই তারা একটু ধীর করতে চাইছে। কে জানে! এর প্রভাব কী, আমি জানি না।’

অনাকাঙ্ক্ষিত এই বিষয়ে ইউএস টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র ব্রেন্ডন ম্যাকইনটায়ার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইউএসটিএ বিলি জিন কিং ন্যাশনাল টেনিস সেন্টারের বাইরে কী হচ্ছে, তা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। তবে এই স্থাপনাকে ধূমপানমুক্ত রাখতে আমরা সতর্ক থাকছি। নিরাপত্তা ও অতিথিসেবা দলকে কেউ ধূমপান করছে বলে জানানো হলে তারা ব্যবস্থা নেয়। নিউইয়র্কে এটি বৈধ হলেও পার্ক অঞ্চল, টেনিস সেন্টারে যে ধূমপান নিষিদ্ধ সেসব জানিয়ে দেওয়া হয়।’