বৃহঃস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২
ছবি-সংগৃহীত
ঝাল বিরিয়ানি হোক কিংবা মিষ্টি পায়েস— তেজপাতা দিলে যেন ঘ্রাণে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। অনেক পদ রান্নাতেই এই পাতার ব্যবহার করা হয়। তবে কেবল রান্নায় স্বাদ বৃদ্ধির জন্য নয়, এর অনেক স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে।
তেজপাতায় আছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভিটামিন এ, আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপকারি সব উপাদান। যাদের শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বেশি তাদের জন্য এটি ওষুধের মতো কাজ করে। পাশাপাশি কমায় ডায়াবেটিস, অন্ত্রের সমস্যা।
তেজপাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে এটি খেতে হবে চা বানিয়ে। কী কী উপকার মিলবে তাতে? চলুন জানা যাক-
১. ডায়াবেটিস থাকে নিয়ন্ত্রণে
নিয়মিত এই চা পানের মাধ্যমে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। অর্থাৎ টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে তেজপাতার চা কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
২. রক্ত পরিশুদ্ধ রাখে
শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দিতে পারে তেজপাতা। নিয়মিত তেজপাতার চা বানিয়ে খেলে রক্ত পরিশুদ্ধ থাকে।
৩. অন্ত্র ভালো থাকে
খাবার হজম করার উৎসেচক ক্ষরণে তেজপাতা বেশ উপকারী ভূমিকা রাখে। দ্রুত খাবার ভাঙতে পারে তেজপাতার রস। ফলে যারা অন্ত্রের সমস্যায় ভুগছেন, তারা নিয়মিত তেজপাতার চা খেলে উপকৃত হবেন।
৪. হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়
তেজপাতায় থাকে ক্যাফেক অ্যাসিড যা হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করে তুলতে পারে। ফলে এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
৫. ক্ষত সারায়
তেজপাতায় রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এসব উপাদান ক্ষত সারাতে দারুণভাবে কাজ করে। সর্দি-কাশির থাকলে এই চা খেলে যথেষ্ট আরাম পাওয়া যায়।
কীভাবে তেজপাতার চা বানাবেন?
একটি পাত্রে পানি গরম করে তাতে চারটি তেজপাতা আর সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে মিনিট পাঁচেক ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এবার একটি কাপে চা ছেঁকে নিয়ে তাতে লেবু আর মধু মিশিয়ে পান করুন।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)